বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার পর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ জাতীয় সংসদে শুরু হয়েছে

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে সংসদের অধিবেশন না থাকায় ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সংসদ সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে।

সিইসি এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করছেন।

সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ নির্ধারিত আসনে বসে ভোট দেবেন। প্রথমে কাউন্টারফয়েলে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ব্যালট পেপার গ্রহণ করবেন তারা। এরপর মূল ব্যালট পেপারে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে আবার স্বাক্ষর করবেন।

সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল এবং বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনরত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদও সংসদ সদস্য হিসেবে ভোটার। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, তাদের ভোট দেওয়ার জন্য সংসদ কক্ষে আলাদা আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনি ভোট দিতে পারবেন। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দিন তার সংসদীয় আসনটি শূন্য হয়ে যাবে। অন্যদিকে, ওলি আহমদ সংসদ সদস্য না হওয়ায় তিনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন না।

৩৫ বছর পর ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংসদ কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোট দেওয়ার জন্য যোগ্য।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই প্রার্থী। ক্ষমতাসীন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ওলি আহমদ

সংসদে বিএনপির ২৪৭টি আসন রয়েছে। ফলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে যেহেতু নির্বাচনে দুইজন প্রার্থী রয়েছেন, তাই নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে

Post a Comment

Previous Post Next Post